বগুড়া থেকে : বগুড়ায় শ্রমিক লীগ নেতা বাড়ি থেকে ক্যাডার দিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে এক ছাত্রীকে সম্ভ্রমহানী এবং তার ও তার মায়ের মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনার তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ।
রোববার আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে উপস্থিত নেতারা জানিয়েছেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, দলের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী বগুড়ার ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, এ ঘটনায় দল দুর্নাম কুড়িয়েছে। দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এর বিচার হতে হবে।
এ সময় দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, কৃষক লীগ ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন। সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হবে। আর দল থেকে তদন্ত করা হবে।
পরে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি সাংবাদিকেরা উত্থাপন করলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বগুড়ায় যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটা আমাদের সহযোগী সংগঠনের ব্যাপার। তাদের ব্যাপারে আমরা যেহেতু সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারি না, তাই সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য দ্রুত নির্দেশনা দেওয়া হবে।’
১৭ জুলাই বাড়ি থেকে ক্যাডার দিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে এক ছাত্রীকে সম্ভ্রমহানী করেন বগুড়ার শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক তুফান সরকার। ঘটনা ধামাচাপা দিতে দলীয় ক্যাডার ও এক নারী কাউন্সিলরকে সম্ভ্রমহানীর শিকার মেয়েটির পেছনে লেলিয়ে দেন।
গত শুক্রবার বিকেলে তারা কিশোরী ও তার মাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে চার ঘণ্টা ধরে নির্যাতন চালান। এরপর দুজনেরই মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হয়।
এমটিনিউজ/এসএস