বিনোদন ডেস্ক: এখন আর অভিনয়ের জন্য কেউ ডাকে না। কারও সাথে যোগাযোগ করতে চাইলেও যোগাযোগ করতে পারি না। তেমন যোগাযোগ নেই কারো সাথে। সিনেমার তেমন কোনও কাজ হচ্ছে না জন্যে ছবিতে কাজ করার জন্য কেউ আমাকে ডাকে না। এখন বেশিরভাগ সময় বাসায় থাকি। অলস সময়গুলো লেখালেখি করে কাটাই।
তবে দীর্ঘ সময় যাদের সাথে কাজ করেছি তাদের খোঁজ নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করলেও তাদের ব্যস্তায় কথা বলা হয়ে ওঠে না। তারা মনে করে আমি সিনেমায় কাজের জন্য যোগাযোগ করছি। বাসায় বসে থেকে বেশকিছু স্ক্রিপ্ট লিখেছি। সেগুলো আমি কাজে লাগাতে চাই। স্ক্রিপ্টগুলো কাজে লাগাতে গণমাধ্যমের কাছে সহযোগিতা চাই। ‘গণমাধ্যম থেকে যদি সহযোগিতা করে তাহলে হয়তো আমার গল্পগুলো আলোর মুখ দেখবে।’ আবেগঘন কন্ঠে কথাগুলো বলছিলেন চলচ্চিত্রের মা খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা।
ঢাকাই চলচ্চিত্রে মা চরিত্রে অভিনয় করে যে কয়জন অভিনেত্রী জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তার মধ্যে খালেদা আক্তার কল্পনা অন্যতম। বর্তমানে সিনেমার কাজ কম হওয়ায় তাকে আর নিয়মিত অভিনয় করতে দেখা যায় না। নাটক-কিংবা টেলিফিল্মেও কাজ তেমন করেন না তিনি। ব্যস্ত থাকতে আরটিভির একটি ধারাবাহিক নাটকে কাজ করেন তিনি। কিন্তু সে নাটকে তার কাজ কম হওয়ায় কোন মাসে তার শুটিং থাকে না। বর্তমানে এ অভিনেত্রীর সময় কাটে বাসায় শুয়ে বসে। তাই বেশিরভাগ সময় গল্প লিখেছেন। সেগুলোর স্ক্রিপ্টও তৈরি করেছেন।
বাসায় বসে অলস সময় কাটাতে তিনি বাংলাদেশের সমসাময়িক প্রসঙ্গ, মা দিবস ও ভালোবাসা দিবস নিয়েও কয়েকটি স্ক্রিপ্ট লিখেছেন। এগুলো তিনি কোনও পরিচালককে দিতে চান বলে জানান। কিন্তু যোগাযোগ নেই বলে স্ক্রিপ্টগুলো কাজে লাগাতে পারছেন না। তিনি বলেন মোট ১৫টি স্ক্রিপ্ট লেখা আছে। স্ক্রিপ্টগুলো কাকে দেব তাও বলতে পারছি না। জানি না বেঁচে থাকতে নিজের লেখা নাটক পর্দায় দেখে যেতে পারব কিনা।’ -আমাদের সময় ডট কম