এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় পূর্ব শক্রতা ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে বান্ধাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম শিকদারসহ (৪১) ৪ জনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহতদের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) উপজেলার বান্ধাবাড়ি ইউনিয়নের ২৫ নং হরিনাহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় শহিদুল বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের লেবু শেখসহ ৯ জনকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় আজিজুল শেখ নামে একজনকে আটক করেছে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বান্ধাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম শিকদারের সঙ্গে একই এলাকার লেবু শেখের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই সূত্র ধরে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মো. শহিদুল ইসলাম ও তার এক চাচাসহ তিন ভাই মাগরিবের নামাজ পড়তে যান। বাড়ি ফেরার পথে হরিনাহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে পৌঁছালে লেবু শেখ লোকজন নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় মো. শহিদুল ইসলাম শিকদার (৪১), তোকাম শিকদার (৪৮), আসাদুলশিকদার (২১), ফেরদৌস শিকদার (২৪) গুরুতর আহত হয়। আহতদের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
বান্ধাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহত শহিদুল ইসলাম শিকদার বলেন, আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে লেবু লোকজন নিয়ে আমার এবং আমার পরিবারের সদস্যের উপর হামলা চালিয়েছে। লেবুসহ অন্য আসামিরা সবাই আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আমাকে হত্যার উদ্দেশে এ হামলা চালানো হয়েছে। তাই প্রশাসনের কাছে অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেফতারকরে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
বিষয়টি নিয়ে লেবু শেখের বাড়িতে গেলে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে লেবু শেখের ভাইপো বাচ্চু শেখের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বলেন, শুনেছি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মসজিদে দুপক্ষের মধ্যে একটু ঝামেলা হয়েছে।
কোটালীপাড়া থানার এসআই উত্তম কুমার সেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরে আজিজুল শেখ নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাবি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।