এবার মিয়ানমারের ক'ড়া জবাব দিল বাংলাদেশ

১২:০০:১১ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০

সর্বশেষ সংবাদ :

     • মহানবী (সা.)কে নিয়ে করা কটূক্তি শুনে আমার হৃদয় ভেঙে কান্না এসেছে: মিরাজ     • টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটির নাম হবে 'বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ'     • অধ্যাপক জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার চেয়ে বিশিষ্ট নাগরিকদের বিবৃতি     • আজারবাইজানের আক্রমণের মুখে ট্যাংক-গোলা রেখে পালিয়েছে আর্মেনীয় বাহিনী     • শেইম! শেইম অন এমানুয়েল ম্যাক্রন!     • যেই কথা সেই কাজটি করেই দেখালেন এরদোগান      • কত ম্যাক্রোঁ আসলো গেল, ইসলাম সর্ব শ্রেষ্ঠ ধর্ম থেকেই গেল: ব্যারিস্টার আন্দালিব পার্থ     • বিশ্বনবীকে ভালোবাসি এমন হ্যাশট্যাগও চালু হলো বাংলাদেশে, সঙ্গে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটে     • ঘুষি মেরে চেয়ারম্যানের নাক ফাটিয়ে দিলেন চা দোকানি!     • নাস্তিকরা (সৃষ্টিকর্তায় অবিশ্বাসী) ক্রমেই উগ্রবাদী হয়ে উঠছে : শাহরিয়ার কবির

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২০, ০৮:৪৫:২৫

এবার মিয়ানমারের ক'ড়া জবাব দিল বাংলাদেশ

এবার মিয়ানমারের ক'ড়া জবাব দিল বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক : জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৫তম অধিবেশনে বাংলাদেশ সম্পর্কে মিথ্যাচার করেছে মিয়ানমার। বাংলাদেশ ওই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে ক'ড়া জবাব দিয়েছে। ঢাকা বলেছে, আবারও আমরা মিয়ানমারের নির্জলা মিথ্যাচার আর বানোয়াট বক্তব্য প্রত্যক্ষ করলাম।

জাতিসংঘে জবাব দেয়ার অধিকারের বিধানের আওতায় মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর দফতরের মন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক সামিয়া আনজুম বলেছেন, রাখাইন রাজ্যের ঘ'টনা এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মিয়ানমারের বক্তব্য শুধু সাজানোই নয়; বরং পুরোপুরি বিভ্রা'ন্তিকর। বাংলাদেশ এই ভি'ত্তিহীন অভি'যোগ, মিথ্যাচার এবং বি'কৃত ত'থ্যকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছে।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের স'ন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয়ার অভি'যোগ বাংলাদেশ জো'র দিয়ে প্র'ত্যাখ্যান করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ স'ন্ত্রাস, স'ন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং অন্য যে কোনো স'ন্ত্রাসবাদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলে।

আমরা স'ন্ত্রাসীদের আমাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিই না। মানবাধিকার সুরক্ষা করে সব ধরনের স'ন্ত্রাস মো'কাবেলা করার আমাদের রে'কর্ড সব মহলে প্রশংসিত। বাংলাদেশের প্রতিনিধি সামিয়া আনজুম আরও বলেন, মিয়ানমারকে আয়নায় নিজের চেহারা দেখা উচিত। মিয়ানমারে জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর অমানবিক আচরণের রে'কর্ড নতুন নয়।

এটা তাদের রাষ্ট্রের নীতি। তারা নিজেদের জনগণকে বের করে দিতে দ'মন-পীড়'ন চালায়। এতে সেখানে বি'দ্রোহী গোষ্ঠী উদ্ভবে উৎসাহিত হচ্ছে। আর দেশটি সব ধরনের অপরাধের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব সময় অর্থবহ নিরাপত্তা সহযোগিতার প্র'স্তাব দিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে মিয়ানমার কোনো আগ্রহ না দেখিয়ে ব্লেম গেমে যুক্ত হয়েছে।

আমি যখন এখানে বক্তৃতা করছি; তখন রাখাইন রাজ্যে র'ক্তক্ষয়ী সংঘা'ত চলছে। বিশ্বসম্প্রদায় যু'দ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও মিয়ানমার তা উপেক্ষা করে চলেছে। যু'দ্ধবিরতির আহ্বানে যেসব দেশ যুক্ত হয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম প্রথম দেশ। প্রত্যাবাসন ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু কোনো দ্বিপক্ষীয় ইস্যু নয়। এটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। আমাদের প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বলেছেন, রোহিঙ্গা সংক'টের উৎপত্তি হয়েছে মিয়ানমারে এবং তার সমাধানও তাদেরই করতে হবে। বাংলাদেশ প্রতিবেশী হওয়ায় ভিকটিম হয়েছে। ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা সংলাপের মাধ্যমে এই সংকট নিরসনের জন্য বারবার আহ্বান জানাচ্ছি। বিশ্বাসের ওপর ভি'ত্তি করে আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তিতে উপনীত হয়েছি। কিন্তু দৃশ্যত মিয়ানমার সেই চুক্তির বাস্তবায়নে কোনো আগ্রহ দেখাচ্ছে না। গণহত্যাকে যৌক্তিক হিসেবে প্রমাণ করতে ঘ'টনা বিকৃ'ত করছে।

বাংলাদেশের বিরু'দ্ধে মিয়ানমারের মন্ত্রীর ভি'ত্তিহীন অভি'যোগের উদ্দেশ্য হল- মিয়ানমারের ওপর বর্তানো জো'রপূর্বক বিতা'ড়িত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে ফিরিয়ে নেয়ার দায়িত্বকে পরিহার করা। তিনি বলেন, পরিবেশ উপযুক্ত নয় বলেই একজন রোহিঙ্গাও স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা এটা প্রত্যক্ষ করছেন।

আন্তর্জাতিক সংস্থা, জাতিসংঘ, গণমাধ্যম এবং যেসব দেশ মাঠের অবস্থা পর্যবেক্ষণে আগ্রহী তাদের জন্য রাখাইন রাজ্য খুলে দেয়ার আহ্বান জানাই আমরা। সামিয়া আনজুম বলেন, এই ফোরামের কারও অজানা নয় যে, ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের কী কারণে জো'রপূর্বক বিতা'ড়িত করা হয়েছে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত শুনানি হয়েছে।

শুনানিকালে মিয়ানমারের নিষ্ঠুরতাকে খাটো করে দেখানোর প্রচেষ্টাও বিশ্বের সবাই দেখেছে। বিশ্ব হতাশার সঙ্গে দেখেছে যে, মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর এসব মানুষকে রোহিঙ্গা হিসেবে উল্লেখ করতে বিরত থেকেছে। তিনি বলেন, আজ বাংলাদেশে ১১ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছে। মিয়ানমারের এসব মানুষ ২০১৭ সালের আগস্টে অভিযানের নামে নিধনয'জ্ঞের শি'কার হয়েছে। কী নি'ষ্ঠুর ব'র্বরতা চালানো হয়েছে, তা গোটা বিশ্ব উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করেছে। হ'ত্যা, ধ'র্ষণ, বাড়িঘরে আ'গুন দেয়া হয়েছে, যার শি'কার বিপুল সংখ্যক নারী ও শিশু।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কী করেছে? আমরা সীমান্ত খুলে দিয়ে মানুষের জীবন রক্ষা করেছি। আমরা সেটা করেছি একটা বিশ্বাসের কারণে। সুপ্রতিবেশীর মতো তাদের ফিরে যাওয়ার লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করেছি। এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাও ফিরে যেতে ইচ্ছা পোষণ করেনি। ২০১৮ সালের নভেম্বর এবং ২০১৯ সালের আগস্টে দু’দ'ফায় আমরা প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য সহায়তা করতে প্রস্তুত ছিলাম; কিন্তু দুর্ভাগ্য-একজন রোহিঙ্গাও মানতে পারেনি যে, তাদের উদ্বেগের নিরসন হয়েছে-যাতে আর কোনো নি'র্যাতন চালানো হবে না। বাংলাদেশের প্রতিনিধি আরও বলেন, মিয়ানমারের মন্ত্রী দাবি করেছেন যে, ৩৫০ জন রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে গেছেন। তিন বছরে ১১ লাখের মধ্যে ৩৫০ জন?

আমরা যদি মিয়ানমারের মন্ত্রীর দাবি মেনেও নিই; প্রশ্ন হল- ওই ৩৫০ জন কারা? তারা কোথায় আছে? ১১ লাখ লোকের মধ্যে ৩৫০ জন ফিরে যাওয়া কি রাখাইন রাজ্যের অবস্থার উন্নতির প্রমাণ বহন করে? এটা স্পষ্ট যে, ক্যাম্পে থাকা একজন রোহিঙ্গাও ফিরে যেতে আগ্রহী নয়। কেন? কারণ, তারা মিয়ানমারকে বিশ্বাস করে না। তারা তাদের জীবন নিয়ে শঙ্কিত। তারা জানে না, তাদের জন্য মিয়ানমারে কী অপেক্ষা করছে।

অব্যাহতভাবে আমরা রিপোর্ট পাচ্ছি যে, সেখানে রোহিঙ্গাদের আলাদা করা হচ্ছে, বৈ'ষম্য চলছে, ক্লিয়ারেন্স অভি'যান চলছে, বাসিন্দাদের সরিয়ে গ্রামের পর গ্রাম খালি করা হচ্ছে। কোথায় তারা ফিরে যাবে? তিনি বলেন, আমরা মিয়ানমারের প্রতি মিথ্যাচার ও প্রপাগান্ডার নীতি পরিহারের আহ্বান জানাই। আপনারা (মিয়ানমার) নিজেদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়ার আন্তরিক সদিচ্ছা দেখান।

রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরের নিরাপত্তা দিন। মিয়ানমারকে এই নিশ্চয়তা দিতে হবে যে, তারা ফিরে গেলে তাদের আবার হ'ত্যা করা হবে না। পুনরায় তারা ধ'র্ষিত হবে না। নি'র্যাতনের শি'কার হবে না। মিয়ানমারের উচিত এ ব্যাপারে দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করা, যাতে তাদের নাগরিকরা স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি বলেন, মিয়ানমারের বোঝা বারবার বহন করা বাংলাদেশের দায়িত্ব নয়। আমরা মিয়ানমারকে মিথ্যাচার বন্ধ করে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলব, যাতে তারা বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবিকার নিশ্চয়তা পায়।

এগুলো নিশ্চিত করার জন্য মিয়ানমারকে সহায়তা করতে আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি অনুরোধ জানাই। রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ প্রস্তুত। মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সম্মান পেতে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সত্যিকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা দেখাতে হবে।



খেলাধুলার সকল খবর »

ইসলাম


ফের মুখরিত হয়ে উঠেছে পবিত্র কাবা প্রাঙ্গণ, এবার ওমরাহ করতে পারবেন বিদেশি মুসল্লিরা

ফের-মুখরিত-হয়ে-উঠেছে-পবিত্র-কাবা-প্রাঙ্গণ-এবার-ওমরাহ-করতে-পারবেন-বিদেশি-মুসল্লিরা

হজে শয়তানকে পাথর মারার স্তম্ভের নকশাকার বাংলাদেশের ইব্রাহীম

হজে-শয়তানকে-পাথর-মারার-স্তম্ভের-নকশাকার-বাংলাদেশের-ইব্রাহীম

উৎকৃষ্টতম আদর্শের কারণেই দ্রুত বিশ্বব্যাপী ইসলামের প্রচার ও জাগরণ ঘটেছে

উৎকৃষ্টতম-আদর্শের-কারণেই-দ্রুত-বিশ্বব্যাপী-ইসলামের-প্রচার-ও-জাগরণ-ঘটেছে ইসলাম সকল খবর »

এক্সক্লুসিভ নিউজ


তেলাপিয়া মাছ খেলে তিনটি রোগ হতে পারে আপনার!

তেলাপিয়া-মাছ-খেলে-তিনটি-রোগ-হতে-পারে-আপনার-

ফকির দাওয়াত পেতে এক অভিনব পদক্ষেপ গ্রহণ!

ফকির-দাওয়াত-পেতে-এক-অভিনব-পদক্ষেপ-গ্রহণ-

গাছের তলায় বিনা পয়সায় বছরের পর বছর গরীবদের পড়িয়ে চলেছেন এই বৃদ্ধ

গাছের-তলায়-বিনা-পয়সায়-বছরের-পর-বছর-গরীবদের-পড়িয়ে-চলেছেন-এই-বৃদ্ধ এক্সক্লুসিভ সকল খবর »

সর্বাধিক পঠিত


এবার ফুটবল মাঠেও মহানবী (সা.) এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন

এবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের পাশে দাঁড়ালেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী

মুসলমানদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে ম্যাক্রোঁকে - এবার লিবিয়ার হুশিয়ারি

এবার ফ্রান্সের নিন্দা জানাল সৌদি আরব

বিচিত্র জগৎ


'৪৯ বছর বয়সেই সারা বিশ্বে ১৫০ শিশুর বাবা আমি!'

-৪৯-বছর-বয়সেই-সারা-বিশ্বে-১৫০-শিশুর-বাবা-আমি--

পৃথিবীতে ‘নরকের দরজা’, জ্বলছে ৫০ বছর ধরে!

পৃথিবীতে-‘নরকের-দরজা’-জ্বলছে-৫০-বছর-ধরে-

জেনে নিন, সাপ দেখলেই যে কারণে ঝগড়ায় জড়ায় বেজি

জেনে-নিন-সাপ-দেখলেই-যে-কারণে-ঝগড়ায়-জড়ায়-বেজি বিচিত্র জগতের সকল খবর »

জেলার খবর


ঢাকা ফরিদপুর
গাজীপুর গোপালগঞ্জ
জামালপুর কিশোরগঞ্জ
মাদারীপুর মানিকগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ ময়মনসিংহ
নারায়ণগঞ্জ নরসিংদী
নেত্রকোনা রাজবাড়ী
শরীয়তপুর শেরপুর
টাঙ্গাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কুমিল্লা চাঁদপুর
লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী
ফেনী চট্টগ্রাম
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি
বান্দরবান কক্সবাজার
বরগুনা বরিশাল
ভোলা ঝালকাঠি
পটুয়াখালী পিরোজপুর
বাগেরহাট চুয়াডাঙ্গা
যশোর ঝিনাইদহ
খুলনা মেহেরপুর
নড়াইল নওগাঁ
নাটোর গাইবান্ধা
রংপুর সিলেট
মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ
নীলফামারী দিনাজপুর
কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট
পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁ
সুনামগঞ্জ কুষ্টিয়া
মাগুরা সাতক্ষীরা
বগুড়া জয়পুরহাট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পাবনা
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ