এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কমিটি বাণিজ্য, অনিয়ম, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দুর্নীতি ও একক আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ তুলে নওগাঁ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের শতাধিক নেতাকর্মী একযোগে পদত্যাগ করেছেন।
শুক্রবার দুপুরে নওগাঁ শহরের প্যারীমোহন সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তারা। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি এবাদুল ইসলাম। এ সময় সহ-সভাপতি আখতারুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু রায়হান, জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি শাকিব খানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে এবাদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সংগঠন নীতি-নৈতিকতা ও আদর্শের কথা বলে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে তা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্যুত হয়েছে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব স্বৈরাচারী আচরণ করছে, যা অগণতান্ত্রিক ও অপমানজনক। তিনি আরও বলেন, জেলা কমিটি গঠনে মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে এবং বিভিন্ন কমিটি গঠনে আর্থিক লেনদেন হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন কবির, কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য আমিনুল ইসলাম মাসুদ এবং যুব অধিকার পরিষদের রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ সম্পাদক এস এম সাব্বির অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থেকেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রশ্রয় পাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি শাকিব খান সদ্য ঘোষিত জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদককে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে পদে বসানোর অভিযোগ তুলে ঘোষণা দেন—নওগাঁ জেলায় গণঅধিকার পরিষদকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো।
নেতাকর্মীরা বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সংগঠনকে মূল উদ্দেশ্য ও পথ থেকে সরিয়ে নিয়েছে। তাই আত্মমর্যাদা, রাজনৈতিক আদর্শ ও তৃণমূল কর্মীদের দায়বদ্ধতা থেকেই তারা সংগঠন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।