সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১২:৪১:৫৯

কী করতে হবে প্রাথমিকে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের? এবার জানিয়ে দেওয়া হলো

কী করতে হবে প্রাথমিকে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের? এবার জানিয়ে দেওয়া হলো

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। আগামী ২২ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দাখিল করার আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীকে আগামী ২২ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জন প্রদত্ত স্বাস্থ্যগত উপযুক্ততার সনদ/প্রত্যয়ন ও ডোপ টেস্ট রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দাখিল করতে হবে। স্বাস্থ্যগত সনদে প্রার্থী কোনো দৈহিক বৈকল্যে ভুগছেন কিংবা উল্লিখিত পদে নিয়োগযোগ্য নয় মর্মে উল্লেখ থাকলে তিনি নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন না।

নির্বাচিত প্রার্থীদের আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে পরিচিতি প্রতিপাদন ও সব ডকুমেন্টস যাচাইয়ের নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সব মূল সনদ (সব সনদের মূলকপি, জাতীয় পরিচয়পত্র, ৩ (তিন) কপি পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম (যথাযথভাবে পূরণকৃত), সিভিল সার্জন কর্তৃক প্রদত্ত স্বাস্থ্যগত উপযুক্ততার সনদ/প্রত্যয়ন এবং ডোপটেস্ট রিপোর্ট ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোটার সনদসহ) সশরীরে উপস্থিত হতে হবে।

কোনো প্রার্থীর পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্টে পূর্ব কার্যকলাপ সন্তোষজনক না হলে কিংবা নাশকতা/সন্ত্রাসী/জঙ্গি কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন মর্মে প্রমাণ পাওয়া গেলে তিনি চাকরিতে অনুপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হবেন।

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্যগত উপযুক্ততার সনদ প্রদান, সব মূল সনদসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপস্থিত হতে না পারলে এবং পূরণকৃত পুলিশ ভেরিফিকেশন ফর্ম প্রদানে ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে তিনি নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন না।

নির্বাচিত কোনো প্রার্থী কোনো প্রকার ভুল তথ্য প্রদান করেছেন কিংবা কোনো তথ্য গোপন করেছেন মর্মে প্রতীয়মান/প্রমাণিত হলে কর্তৃপক্ষ তার ঘোষিত ফলাফল বা নির্বাচন বাতিল করতে পারবে।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) এক হাজার ৪০৮টি পরীক্ষাকেন্দ্রে একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি আবেদন জমা পড়ে এবং ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

এরপর গত ২১ জানুয়ারি রাতে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে প্রাথমিকভাবে ৬৯ হাজার ২৬৫ জনকে উত্তীর্ণ করা হয়। গত ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্ব স্ব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে তাদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।

ফলাফলে নির্বাচিত প্রার্থীদের ফলাফল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে