স্পোর্টস ডেস্ক : ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে আলোচনায় আছেন হ্যারি কেইন, লামিন ইয়ামাল, কিলিয়ান এমবাপ্পে, লিওনেল মেসিসহ আরও বেশকিছু নাম। তবে পরিসংখ্যান, মৌসুমজুড়ে ধারাবাহিকতা ও দলীয় সাফল্য বিবেচনায় এগিয়ে রাখা হচ্ছে বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ স্ট্রাইকার কেইনকে।
ভবিষ্যদ্বাণীভিত্তিক বাজারের হিসাবেও এগিয়ে কেইন। তার জয়ের সম্ভাবনা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। ইয়ামালের সম্ভাবনা ২৮ শতাংশ। বাকি সম্ভাবনা ভাগ হয়ে আছে এমবাপ্পে ও মেসির মধ্যে।
কেইনের পক্ষে বড় যুক্তি হলো, পুরো মৌসুমে তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স। ইউরোপিয়ান স্পোর্টস মিডিয়ার মাসের সেরা একাদশে গত মৌসুমে আটবার জায়গা পেয়েছেন তিনি। এই তালিকায় অন্যদের চেয়ে এগিয়ে ইংলিশ স্ট্রাইকার। পাঁচবার জায়গা পেয়েছেন এমবাপ্পে। ইয়ামাল ছিলেন মাত্র দু'বার।
তবে শুধু গোল ও অ্যাসিস্ট দিয়ে সেরা খেলোয়াড় নির্ধারণ করা যায় না। বল দখলে অবদান, আক্রমণ তৈরি, প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং দলীয় সাফল্যও বিবেচনায় আসে। এসব সূচকের কয়েকটিতে কেইনের সঙ্গে এমবাপ্পে ও মাইকেল অলিসের প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে।
এমবাপ্পের পক্ষে যুক্তি হলো, গোল ও বল দখলে অবদানের সমন্বিত হিসাবে তিনি এগিয়ে। অন্যদিকে, অলিসে বল হারানোর প্রবণতা কম রেখেও আক্রমণে ধারাবাহিক অবদান রেখেছেন। তবে বিশ্বকাপে গোল করতে না পারা তার জন্য বড় সীমাবদ্ধতা।
ইয়ামালও আলোচনায় আছেন ব্যক্তিগত দক্ষতা ও মাঠে প্রভাবের কারণে। কিন্তু মৌসুমজুড়ে পরিসংখ্যানে তিনি কেইনের চেয়ে পিছিয়ে। আর বিশ্বকাপে পাঁচবার ম্যাচসেরা হওয়া মেসির পারফরম্যান্স তাকে আলোচনায় রেখেছে।
ব্যালন ডি’অরের নিয়মে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হলেও দলীয় সাফল্য ও ফেয়ার প্লেও বিবেচ্য। তাই শেষ পর্যন্ত পুরস্কার কে জিতবেন, তা নির্ভর করবে ভোটারদের মূল্যায়নের ওপর।
আগামীকাল (সোমবার) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে এবারের ব্যালন ডি'অরের অনুষ্ঠান। সেখানেই জানা যাবে এবারের পুরস্কারটি কার হাতে উঠতে যাচ্ছে।